মোদীর ভয়ে শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেন

শেখ হাসিনা সরকার বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিলেন    


ফেসবুকে ভুয়া ছবি দিয়ে ও উস্কানিমূলক প্রচার করিয়ে রংপুরে দাঙ্গা ছড়ানোর দায় স্বীকার করে নিলেন ধৃত দুই বাংলাদেশি যুবক। এর মধ্যে একজন আবার মাইক লাগিয়ে গ্রামে ওই উস্কানিমূলক ভুয়া খবর ছড়িয়ে দিয়েছিল বলেও পুলিশি জেরায় নিজেদের দায় মেনে নিয়েছে। শুধু তাই নয়, সোমবার আদালতে বিচারকের কাছেও ধৃত দুই অভিযুক্ত নিজেদের অপরাধ কবুল করেছে। রংপুরের পীরগঞ্জে হিন্দু সম্প্রদায়ের উপর হামলায় জড়িত ওই যুবকদের নাম সৈকত মন্ডল ও রবিউল ইসলাম। ধৃতদের মধ্যে সৈকত কলেজ পড়ুয়া ও দর্শনের ছাত্র। বাংলাদেশ পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, কুমিল্লায় মণ্ডপে ধর্মগ্রন্থ রেখে অশান্তি ছড়ানোর মূল অভিযুক্ত ইকবাল হোসেন সহ ৬৮৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত ১৭ অক্টোবর অশান্তি সৃষ্টি করার দু'জ দায়ে পুলিশও হেফাজতে রয়েছেন সৈকত ও রবিউল। তবে এই দুইজনকে বিশেষভাবে নজর দিয়ে শাস্তির ব্যবস্থা করেছে শেখ হাসিনা সরকার। কারন ফেসবুক ও মাইকে ভুয়া প্রচার করে উস্কানি ছড়িয়েছিল দুজনে। 

ঘটনা 2 সপ্তাহ পূর্ণ হওয়ার আগেই সর্বাধিক ক্ষতিগ্রস্ত রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার রামনাথপুর ইউনিয়নের হিন্দু সম্প্রদায়ের জীবনযাত্রা স্বাভাবিক হচ্ছে কিছুটা তবুও তাদের মনে এখনো পর্যন্ত কেঁপে উঠতে পারেনি কারণ মৌলবাদীরা যেভাবে অত্যাচার করছে যেভাবে তাদের মা বোনকে তুলে নিয়ে গেছে ধর্ষণ করেছে সেই নিয়ে এখনও ভয় আছে তারা। কিন্তু ইতিমধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে মাত্র 48 ঘণ্টার মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত আঠারোটি পরিবারকে টিনের চালের ঘর তৈরি করে দিয়েছে বলে জানা যায় তারপর দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী ব্যবস্থা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রীর ডাক্তার এনামুর রহমান রংপুরের পীরগঞ্জে পৌঁছে ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দু পরিবারগুলোর হাতে নতুন টিনের ঘর ও সাংসারিক ব্যবহার্য সামগ্রী হস্তান্তর করেন। এছাড়া সমস্ত ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে সরকারি ও বেসরকারি সাহায্য এবং সহযোগিতার আশ্বাস দেন ডাক্তার বাবু। পুলিশ এ পর্যন্ত মূল সন্দেহভাজনসহ ৬৮ জনকে গ্রেফতার করেছে।

নবীনতর পূর্বতন